গলা ভেঙে গেছে করোনায় আক্রান্ত নন তো?

2 Min Read

গবেষণা অনুযায়ী, করোনা সংক্রমণের লক্ষণগুলি হল জ্বর, কাশি, স্বাদ-গন্ধ চলে যাওয়া, কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে নতুন ধরনের উপসর্গ দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে, রূপ পরিবর্তিত ভাইরাসের ক্ষেত্রে। অনেক কোভিড রোগী জানিয়েছেন, তাদের গলা ভেঙে গিয়েছে বা গলে বসে কণ্ঠস্বর বদলে গিয়েছে।

গবেষকদের মতে, গলার স্বর পাল্টে যাওয়া কোভিডের একটি অস্বাভাবিক লক্ষণ, তবে এটি একেবারেই এড়িয়ে যাওয়া যায় না।

The throat is broken, not affected by corona

কখন চিন্তিত হবেন

ঠান্ডা জল বা ঠান্ডা কিছু খাওয়া, এসিতে থাকা, অসময়ে স্নান করা, ইত্যাদি অনেক কারণে গলা ভাঙতে বা স্বর পরিবর্তন হতে পারে। কিন্তু হঠাৎ বিনা কারণে গলা ভাঙলে সেটা চিন্তার বিষয়। আর কোভিড মূলত শ্বাসনালীর রোগ, আপনার স্বরযন্ত্রও তারই অংশ। তাই গলার স্বরে বদল হলে তা কোভিডের উপসর্গ হতেই পারে।

ভয়েসে প্রভাব পড়ার কারণ

গবেষকদের মতে, “আমরা সকলেই জানি যে কোভিড-১৯ ভাইরাস আমাদের শ্বসনতন্ত্রের টিস্যুগুলিকে প্রভাবিত করে, যার মধ্যে ভয়েস বক্সও এর একটি অংশ।” সম্ভবত এই কারণেই কিছুজন করোনা সংক্রমণের সময় স্বর পরিবর্তন অনুভব করে। গবেষকরা জানিয়েছেন যে, যদি কোনও ব্যক্তির গলার স্বর অস্পষ্ট বা কর্কশ হয় তাহলে তার কোভিড পরীক্ষা করা উচিত।

কোভিড ভ্যাকসিন আদেও কি কোন প্রভাব ফেলতে পারে ঋতুচক্র, গর্ভাবস্থা, মেনোপজ বা স্তন্যদানে

কী করবেন

যদি এই লক্ষণটি কিছুতেই না কমে কিংবা গলার অবস্থা আরও খারাপ হয় এবং এর পাশাপাশি কোভিডের অন্যান্য উপসর্গগুলিও অনুভব করেন, তবে আপনি করোনা পরীক্ষা করান। পরীক্ষার ফলাফল না পাওয়া পর্যন্ত নিজেকে বিচ্ছিন্ন করুন এবং কারুর সংস্পর্শে আসবেন না। মাস্ক পরে থাকুন। মাস্কের ফিটিং ঠিক আছে কি না দেখে নিন।

এছাড়াও, হালকা গরম জল দিয়ে দিনে তিন-চার বার গার্গল করুন এবং ঠান্ডা জিনিস সেবন করবেন না। নিজেকে হাইড্রেট রাখুন এবং গলার ব্যথা কমাতে ভেষজ জিনিস ব্যবহার করুন, যেমন – চা, কাড়া, ইত্যাদি।

অন্যান্য লক্ষণ

কোভিডের অস্বাভাবিক লক্ষণগুলি ছাড়াও, এখানে এর কয়েকটি সাধারণ লক্ষণ দেওয়া হল, যেগুলি আপনার খেয়াল করা উচিত – জ্বর, শুকনো কাশি, গলা ব্যথা, সর্দি বা নাক বসে যাওয়া, বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, ক্লান্তি, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল সংক্রমণ, ইত্যাদি।

Share This Article
google-news