Table of Contents
শীতকালে অনেকেই ঘন ঘন অসুস্থ হয়ে পড়েন। ঠাণ্ডা বাড়ার সাথে সাথে মানুষ সর্দি-কাশির সমস্যায় ভোগেন। অনেক প্রতিকার করার পরেও এই সাধারণ সমস্যাটি সহজে দূর হয় না। এই সমস্যাটি ঘন ঘন হওয়ার কারণ হলো দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। আপনি যদি এই ঘরোয়া প্রতিকারটি চেষ্টা করেন, তবে অবশ্যই উপকার পাবেন। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা শীতকালে গুড় খাওয়ার পরামর্শও দেন। গুড় খাওয়ার উপকারিতা জানার পর আপনিও আজ থেকেই এটি খাওয়া শুরু করবেন।
ঘন ঘন অসুস্থ হলে এই প্রতিকারটি করুন
সর্দি, কাশি, দুর্বলতা এবং অলসতা শীতকালের সাধারণ সমস্যা। গুড় শরীরকে গরম রাখে এবং শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। প্রতিদিন অল্প পরিমাণে গুড় খেলে সর্দি-কাশি কমে এবং শরীর সক্রিয় থাকে। আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতেও গুড় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এতে আয়রন, জিঙ্ক এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা শরীরকে ভাইরাল সংক্রমণ, সর্দি এবং কাশি থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। যারা শীতকালে ঘন ঘন অসুস্থ হন, তাদের জন্য প্রতিদিন গুড় খাওয়া উপকারী হতে পারে।
গুড় খাওয়ার উপকারিতা
গুড় শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করে রক্ত পরিশুদ্ধ করতে সাহায্য করে, যা আপনার ত্বককে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা দেয়। শীতকালে মহিলাদের মধ্যে ক্লান্তি এবং মাথা ঘোরার সমস্যা বেশি দেখা যায়। মহিলাদের তাদের সকালের খাবারে অবশ্যই গুড় খাওয়া উচিত। গুড় ব্রণ, কালো দাগ এবং ত্বকের অন্যান্য সমস্যা কমাতেও সাহায্য করে। খাবারের পর অল্প পরিমাণে গুড় খেলে হজমের উপকার হয়। রক্তাল্পতায় ভোগা মানুষের জন্য গুড় একটি প্রাকৃতিক প্রতিকার হিসেবে কাজ করে। গুড় আয়রনের একটি ভালো উৎস এবং হিমোগ্লোবিন বাড়াতে সাহায্য করে।
আরও পড়ুন : ডায়াবেটিস রোগীদের কি হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেশি? একজন বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে জানুন
এইভাবে গুড় খান
আপনি কতটা গুড় খাচ্ছেন সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। প্রতিদিন ১০ থেকে ২০ গ্রাম গুড়ই যথেষ্ট। তিল, চিনাবাদাম বা আদার সাথে গুড় খেলে এর উপকারিতা বাড়ে। শীতকালে গুড় খেলে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। আপনি যদি ঘন ঘন কোনো সাধারণ সংক্রমণে আক্রান্ত হন, তবে আপনার অবশ্যই গুড় খাওয়া উচিত। তবে ডায়াবেটিস বা গুরুতর অসুস্থতায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের গুড় খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
