Table of Contents
ডিসেম্বর মাস থেকে দেশে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। অতিরিক্ত ঠাণ্ডার কারণে স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়। শীতকালে ঠাণ্ডা থেকে বাঁচতে মানুষ ঘরের ভেতরে রুম হিটার ব্যবহার করে। হিটার চালালে ঠাণ্ডার তীব্রতা কমতে শুরু করে। যেমন অনেকে রাতে এসি চালিয়ে ঘুমায়, তেমনই অনেকে সারারাত ঘরে হিটার চালিয়ে রাখে। আপনিও যদি ঘরে হিটার ব্যবহার করেন, তবে সতর্ক থাকুন। বন্ধ ঘরে সারারাত হিটার চালালে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ে।
রুম হিটার ব্যবহারের সময় সতর্ক থাকুন
ঠাণ্ডা থেকে বাঁচতে বন্ধ ঘরে সারারাত হিটার চালালে শ্বাসকষ্ট এবং এমনকি মৃত্যুও হতে পারে। প্রতি বছর শীতকালে হিটার বা ফায়ারপ্লেস থেকে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। দীর্ঘক্ষণ রুম হিটার ব্যবহারের ফলে ধীরে ধীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যায় এবং কার্বন মনোক্সাইডের মাত্রা বেড়ে যায়। এতে শরীরে পর্যাপ্ত অক্সিজেন পৌঁছায় না। এই অবস্থায় মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, উদ্বেগ এবং শ্বাসকষ্ট হতে পারে। গুরুতর ক্ষেত্রে মস্তিষ্কে রক্তসরবরাহ ব্যাহত হতে পারে, যা থেকে সেরিব্রাল হেমোরেজ হতে পারে।
আরও পড়ুন : না ভেবেচিন্তে ওষুধের দোকান থেকে জ্বর ও ব্যথানাশক ওষুধ কেনা বিপজ্জনক হতে পারে, জানুন
এইভাবে রুম হিটার ব্যবহার করুন
বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতকালে গরমের জন্য রুম হিটার ব্যবহার করায় কোনো সমস্যা নেই, তবে এটি অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত। রাতে হিটার চালিয়ে ঘুমাবেন না। রুম হিটারের অতিরিক্ত ব্যবহারে বাতাস শুষ্ক হয়ে যায়, যা চোখ ও ত্বকে শুষ্কতা সৃষ্টি করতে পারে। এতে চুলকানি, লালচে ভাব এবং অ্যালার্জিও হতে পারে। আপনি রুম হিটারের সাথে একটি হিউমিডিফায়ারও চালাতে পারেন। এতে ঘরের আর্দ্রতার মাত্রা বজায় থাকবে এবং আপনার স্বাস্থ্যের কোনো ক্ষতি হবে না। আপনার কাছে হিউমিডিফায়ার না থাকলে, আপনি ঘরে একটি বাটিতে জল রাখতে পারেন। এটি একটি প্রাকৃতিক হিউমিডিফায়ারের মতো কাজ করবে।
