আপনার শরীরে জলের ঘাটতি হচ্ছে নাতো, বুজবেন কি করে?

3 Min Read
Stay connected via Google News
Follow us for the latest updates.
Add as preferred source on google

ওয়েব ডেস্ক: জলের ওপর নাম জীবন। খাবার ছাড়া মানুষ বেশ কয়েকদিন কাটিয়ে দিতে পারে বটে, জল ছাড়া কিন্তু কারও একটা দিনও চলবে না। সমস্যা হচ্ছে যে এই সহজ সত্যটা আমরা প্রায়ই ভুলে যাই, বিশেষ করে শীতের দিনে। শীতকালে ঘাম হয় না, তাই তেষ্টাও তেমন পায় না। আর সেই কারণেই জল খাওয়াটা ক্রমশ কমতে থাকে। মনে রাখবেন, আপনার শরীরের ৭৫ ভাগ জল দিয়েই তৈরি – কোনও কারণে তার ঘাটতি তৈরি হলে শারীরবৃত্তীয় ক্রিয়াকলাপ যথাযথভাবে সম্পন্ন হবে না। যারা জল কম খান, তাঁদের নানারকম শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। সেই লক্ষণগুলি দেখতে পেলেই সতর্ক হোন ও পরিবর্তন আনুন আপনার দৈনিক জীবন চর্যায়।

আপনার শরীরে জলের ঘাটতি হচ্ছে নাতো, বুজবেন কি করে?

১) মূত্রত্যাগের সময় জ্বালাভাব

মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে টক্সিন বের হয়ে যায়। তবে জল কম পান করলে, ইউরিন কম হয়। এছাড়াও, মূত্রের রং গাঢ় হলুদ হয় এবং জ্বালাভাব অনুভূত হয়।

২) ত্বকের উজ্জ্বলতা হ্রাস পায়

শরীরে যদি টক্সিন জমে থাকে, তাহলে তা ত্বকের ওপরেও খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে ত্বকের ঔজ্জ্বল্য হারায়, রিঙ্কেলস পড়তে শুরু করে। শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণ জলের অভাবে ত্বক শুষ্ক-রুক্ষ এবং খসখসে হয়েও উঠতে পারে।

রেশন কার্ডের সাথে আধার লিঙ্ক কেন গুরুত্বপূর্ণ, কিভাবে তা করতে হবে, যেনে নিন

৩) মাথা ধরা ও ক্লান্তি ভাব

মাইল্ড ডিহাইড্রেশনের ফলে মাথা ধরা এবং ক্লান্তি ভাব দেখা দিতে পারে। ঘাম, মল-মূত্র ত্যাগ এমনকি শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গেও শরীর থেকে কিছুটা জল বেরিয়ে যায়। শরীরে জলের সেই অভাব পূরণ না হলে মাথা ধরা, ক্লান্তি ভাব দেখা দিতে পারে। এছাড়াও, মনঃসংযোগের অভাব এবং বিরক্তি বোধও দেখা দিতে পারে।

৪) মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়

যারা ডিহাইড্রেশনে ভুগছেন, তাদের মিষ্টি বা নোনতা জাতীয় খাবারের প্রতি আকর্ষণ বেড়ে যায়। লিভার জলের সাহায্যে গ্লাইকোজেন তৈরি করে, যা শরীরে এনার্জি যোগায়। কিন্তু আমাদের শরীরে জলের অভাব দেখা দিলে লিভার ঠিক মতো কাজ করে না। ফলে শরীরের আরও বেশি খাবারের প্রয়োজন হয়। তাই নোনতা স্ন্যাকস, চকোলেট, মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা আরও বেড়ে যায়।

৫) মুখে দুর্গন্ধ হওয়া

লালা তৈরি করতে এবং মুখের ভেতরের ব্যাকটেরিয়া দূর করতে জল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে জল পান কম হলে কম লালা তৈরি হয় এবং মুখের ভেতরের ব্যাকটেরিয়ার মাত্রা অনেকটাই বেড়ে যায়। ফলে মুখে দুর্গন্ধ ছড়ায়। তাই দৈনিক জল পান করার পরিমাণ বাড়ান। ফল হাতেনাতে পাবেন।

এবার থেকে ভাড়ায় মিলবে হাওড়া রেল মিউজিয়াম, সিদ্ধান্ত রেলের

৬) কোষ্ঠকাঠিন্য

জল কম পান করলে, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দিতে পারে। কোলন জল শোষণ করে এবং এখানেই শরীরের কঠিন বর্জ্য জমা থাকে। তবে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল না খেলে, শরীর মল থেকে জল শোষণ করে নেয়। ফলে মল কঠিন হয়ে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়। তাই বেশি করে জল পান করুন, হজম ভাল হবে এবং মলও নরম থাকবে।

৭) ঘনঘন অসুস্থ হয়ে পড়া

জল শরীর থেকে টক্সিন, ব্যাকটেরিয়া এবং বিভিন্ন বর্জ্য বের করে দিতে পারে। জল কম পান করলে শরীর থেকে ওই বিষাক্ত পদার্থগুলি বেরোয় না। ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও দুর্বল হতে শুরু করে। তাই অসুস্থ হয়ে পড়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যায়।

Stay connected via Google News
Follow us for the latest updates.
Add as preferred source on google
Share This Article