ওয়েব ডেস্ক: লক্ষ ২০২৪ লোকসভা নির্বাচন। বৃহত্তর জোটের লক্ষ্যে ভবানীপুর উপনির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস হাইকমান্ড। অধীরের এই ঘোষণার পরেই বাম-কংগ্রেসের সম্পর্ক নিয়েও শুরু হয়েছে টানাপড়েন। যদিও প্রকাশ্যে কোন পক্ষই এই ব্যাপারে মুখ খুলতে নারাজ। কিন্তু এ নিয়ে এবার শুরু হল চাপানউতোর।
কংগ্রেসের প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত অবিমৃষ্যকারিতা বলে মনে করেন সিপিএম নেতা বিকাশ ভট্টাচার্য। তাঁর কথায়,’গোটা দেশে সামগ্রিকভাবে বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের চেষ্টা হচ্ছে। তার প্রাণভোমরা বামপন্থীরা। যেমন কৃষক আন্দোলন। তার পিছনে বামেরা। সেজন্য একটি নির্বাচনী কেন্দ্রে ওদের এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক অবিমৃষ্যকারিতা। তা দিয়ে সামগ্রিক বিচার করতে রাজি নই।’
রাতের কলকাতাই চলল গুলি, গুলি বিদ্ধ হাওড়ার ব্যবসায়ী
ভবানীপুরে প্রার্থী না দিয়ে কংগ্রেস তৃণমূল নেত্রীকে কি বার্তা দিতে চেয়েছে তা মোটামুটি ভাবে সকলের কাছে স্পষ্ট। কংগ্রেস হাইকম্যান্ড যে ‘শূন্য’ সিপিএমের চেয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় থাকা তৃণমূলকেই প্রাধান্য দিতে চায় তা বলাই-বাহুল্য।
অভিষেকের মিছিলেন স্ট্র্যাটেজি কি হবে, রণকৌশল ঠিক করতে বৈঠকে কুণাল-সুস্মিতা
এই প্রসঙ্গে, প্রথম ইউপিএ সরকার থেকে বামেদের সমর্থন তোলার প্রসঙ্গ টেনে খোঁচা দিতেও ছাড়েননি দলের নেতা মনোজ চক্রবর্তী। তিনি বলেন,’ওরা প্রথম ইউপিএ সরকার থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করেছিল। কোন দল কি বলল তাতে কিছু এসে যায় না। আমরা সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিই। আর এটা আমাদের হাইকম্যান্ডের সিদ্ধান্ত।’ ভবানীপুর উপনির্বাচনে শ্রীজীব বিশ্বাসকে প্রার্থী করেছে সিপিএম। সেই প্রার্থীর হয়ে প্রচারও করবে না বলে আগেই জানিয়ে দিয়েছে কংগ্রেস।
