কিডনির সমস্যায় ভুগছেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চিকিৎসা শুরু করুন, অন্যথায় সমস্যা আরও বাড়বে।

2 Min Read
কিডনির সমস্যায় ভুগছেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চিকিৎসা শুরু করুন, অন্যথায় সমস্যা আরও বাড়বে।

চিকিৎসার ভাষায়, এই অবস্থাকে নেফ্রোসিস বলা হয়। এটি কিডনির ক্ষতি বর্ণনা করার জন্য ব্যবহৃত একটি শব্দ। এটি কোনও রোগ নয়। তবে যদি চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে একটি গুরুতর সমস্যা দেখা দিতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলির মধ্যে একটি হল কিডনি

কিডনি আমাদের শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলির মধ্যে একটি। এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে, যেমন বর্জ্য অপসারণ, শরীরের তরল ভারসাম্য বজায় রাখা এবং রক্ত পরিশোধন করা। এই কারণেই কিডনি সুস্থ রাখার জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হয় যাতে শরীর সঠিকভাবে কাজ করতে পারে। কখনও কখনও আমরা এগুলিকে উপেক্ষা করি, এই ভেবে যে এগুলি কোনও সমস্যা তৈরি করবে না। তবে, আমাদের জীবনযাত্রার সাথে সম্পর্কিত ছোট এবং বড় উভয় কারণই তাদের প্রভাবিত করতে পারে।

প্রোটিনের চাহিদা

ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের মতে, আপনি যখন বিছানায় থাকেন তখনও এর কিছু লক্ষণ দেখা দিতে শুরু করে। প্রথম লক্ষণ হল প্রস্রাবে অতিরিক্ত প্রোটিন। এটিকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কারণ প্রস্রাব করার সময় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি প্রোটিন বের হয়, যার কারণে প্রস্রাব ফেনাযুক্ত দেখায়। দ্বিতীয় সবচেয়ে সাধারণ কারণ হল রক্তে প্রোটিনের অভাব। এই লক্ষণটির পিছনে কারণটি প্রথমটির সাথে সম্পর্কিত। প্রস্রাবে অতিরিক্ত প্রোটিন রক্তে প্রোটিনের পরিমাণ হ্রাস করে।

আরও পড়ুন : চোখকে সুস্থ রাখতে এই দৈনন্দিন অভ্যাসগুলি চেষ্টা করুন, রক্ষা পাবেন চোখের অ্যালার্জি থেকে

শক্তির অভাব ক্লান্তি সৃষ্টি করে

তৃতীয় কারণ হল ক্লান্তি এবং দুর্বলতা। শরীরে পর্যাপ্ত প্রোটিন এবং শক্তির অভাব ক্লান্তি সৃষ্টি করতে পারে। ক্ষুধামন্দা এবং শরীরে ফোলাভাবও লক্ষণ হতে পারে। এ ছাড়া, কখনও কখনও প্রস্রাব কম হতে পারে, রক্তচাপ হঠাৎ বৃদ্ধি পেতে পারে এবং কিছু ক্ষেত্রে প্রস্রাবে রক্তও দেখা যেতে পারে। যদি আপনি এই সমস্যাগুলির কোনওটি অনুভব করেন, তাহলে আপনার অবিলম্বে একজন ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করা উচিত যাতে সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা দেওয়া যায়।

Disclaimer: এই নিবন্ধে উল্লিখিত পদ্ধতি এবং পরামর্শগুলি সাধারণ স্বাস্থ্য জ্ঞানের ভিত্তিতে লেখা, কোন পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শের বিকল্প নয়। এটি অনুসরণ করার আগে একজন ডাক্তার বা সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

Share This Article
google-news