ডিজিটাল ডেস্ক : আমাদের ডিম খওয়া নিয়ে বহুল প্রচলিত একটি লাইন আছে ” সানডে হো ইয়া মনডে, রোজ খাও আন্ডে “। অনেকেরই ব্রেকফাস্টের প্লেটেই একটি করে ডিম থাকে। বর্তমানে বাজারে নকল ডিমে ছেয়ে গেছে। ডিমে থাকে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম এবং ওমেগা-3 এর মত উপাদান। তাই সুপার ফুড হওয়ায় যে কোনও মরশুমেই ডিম খাওয়া যেতে পারে।
কিন্তু কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা বাজারে নকল ডিম বিক্রি করে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে ছেলে খেলা করছে। এরফলে স্বাস্থ্যের ভয়াবহ ক্ষতি হতে পারে। আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশি ডিম উৎপাদন হয় অন্ধ্রপ্রদেশ ও তামিলনাড়ুতে। শুধুমাত্র হায়দ্রাবাদেই প্রতিদিন প্রায় ৭৫ লাখ ডিমের চাহিদা রয়েছে। যদি শুধু কলকাতার হিসেব ধরা হয়, তাহলে দেখা যাচ্ছে শীতের সময় শহরে গড়ে প্রতি দিন প্রায় দেড় কোটি ডিম বিক্রি হয়। এই চাহিদার সুযোগ নিয়ে বাজারে নেমে পড়েছে একদল অসাধু ব্যবসায়ী। সাথে বেড়েছে নকল ডিমের ব্যবসা।
আরও পড়ুন : আপনি বাড়িতে যে সাবান ব্যবহার করছেন সেটা কি টয়লেটের সাবান নয়তো, বুঝবেন কিভাবে
আসল ও নকল ডিম চিনবেন কি ভাবে ?
নকল ডিমের খোসা তৈরিতে প্লাস্টিকের ব্যবহার করা হয়। তাই নকল ডিম আগুনের কাছে রাখলে ডিম থেকে পোড়ার গন্ধ আসবে এবং তাতে আগুনও ধরে যেতে পারে। এছাড়া নকল ডিম অনেক বেশি চকচকে ও পরিষ্কার হয়। এই চকচকে দেখে অনেকেই ডিম কিনে ফেলে ঠকে যান। তাই ডিম কেনার আগে অবশ্যই গ্রাহককে সতর্ক থাকতে হবে। কারণ নকল ডিম স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর।
