ওয়েব ডেস্ক: ভারতীয় নৌসেনার মুকুটে নয়া পালক। ভারাতিও নৌসেনার হাতে এলো দেশের প্রথম উপগ্রহ ও পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র ট্র্যাকিং যুদ্ধজাহাজ ‘INS Dhruv। জাহাজটি তৈরি হয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশের হিন্দুস্তান শিপইয়ার্ডে। প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়েছে ডিআরডিও এবং এনটিআরও। চিন-পাকিস্তান থেকে উৎক্ষেপণ হওয়া যে কোনও ক্ষেপণাস্ত্রের আগাম সূচনা দিতে সক্ষম এই বিশেষ জাহাজ। এই জাহাজের আরেক নাম ‘ভিসি-১১১৮৪’।
প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, ১০ হাজার টনের এই সর্বাধুনিক যুদ্ধজাহাজ ভারতের ভবিষ্যৎ ক্ষেপণাস্ত্র-রোধক বর্মের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে উঠবে। পাশাপাশি, ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে দেশের সামরিক বাহিনীর উপস্থিতির বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে এই জাহাজ।
‘INS Dhruv’-এর বৈশিষ্ট্য
ক্ষেপণাস্ত্র-বিধ্বংসী ক্ষমতা সম্পন্ন ‘INS Dhruv’ মূলত ভারতীয় শহর ও সামরিক প্রতিষ্ঠানগুলির দিকে ধেয়ে আসা শত্রুর ক্ষেপণাস্ত্র-হামলা সম্পর্কে আগাম সূচনা দেবে ও সতর্কতা জারি করবে। বলা যেতে পারে, আকাশে ভেসে বেড়ানো অ্যাওয়াক্স-এর মতো সমুদ্রে ভেসে একই কাজ করবে এই রণতরী।
এবার স্পেন থেকে ৫৬টি বিমান কিনতে চলেছে ভারতীয় বায়ুসেনা
‘INS Dhruv’-এ রয়েছে ডিআরডিও-র তৈরি সর্বাধুনিক অ্যাক্টিভ ইলেক্ট্রনিকালি স্ক্যানড অ্যারে রেডার। এর ফলে, একাধিক স্পেকট্রাম (ব্যান্ডউইদ) স্ক্যান করা সম্ভব। এতে ভারতের ওপর নজরদারি চালানো শত্রুর গুপ্ত-উপগ্রহর হদিশ পাওয়া থেকে শুরু করে ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণও এর নজর এড়াতে পারবে না।
আকাশ পথে নজরদারিকে জোরদার করতে চলেছে বায়ু সেনা, খরচ ১১,০০০ কোটি টাকা
‘INS Dhruv’ হল ভারতের প্রথম রণতরী যা দূরপাল্লার পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্রকেও ট্র্যাক করতে সক্ষম। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এর ফলে, ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান পরমাণু হামলার শঙ্কা অনেকটাই দূর হবে। এছাড়া, শত্রু সাবমেরিনগুলির খোঁজ করা এবং সনাক্তকরণের জন্য সমুদ্রতলের মানচিত্র তৈরিতে বিশেষ ভাবে পারদর্শী INS Dhruv।
