‘ফ্লিমি সংলাপ’ জ্বালাই জর্জরিত মিঠুন, কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ মহাগুরু

by Chhanda Basak

ওয়েব ডেস্ক: ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগেই এই বছর ব্রিগেডের মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিক ভাবে গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছিলেন মহাগুরু, সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তী। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর হাতে তুলে দেন ভারতীয় জনতা পার্টির পতাকা। সেই সময় ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে অসংখ্য মানুষের ভিড়। তাঁদের সিংহ ভাগ আবার মহাগুরু ভক্তও। সেখানে দর্শকদের ইচ্ছায় নিজের সিনেমার বিখ্যাত ডায়লগ বলেছিলেন মহাগুরু। ব্যাস সেটাই কাল হল তার।

Mithun 2

মিঠুন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে দায়ের হল FIR। ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৫৩এ, ৫০৪,৫০৫ একাধিক ধারায় FIR রুজু হয়। হিংসা ছড়ানো, শান্তি নষ্টের চেষ্টার মতো একাধিক ধারায় অভিযোগ করা হয়। এবার সেই মামলারা নয়া মোরে, কলকাতা হাইকোর্টে FIR খারিজের আবেদন জানালেন মিঠুন চক্রবর্তী। বুধবার এ মামলার পরবর্তী শুনানি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার পর্বে ‘মারব এখানে লাশ পড়বে শ্মশানে’, ‘এক ছোবলেই ছবি’, ‘জাত গোখরো’-র মতে সংলাপ বলতে শোনা গিয়েছিল মিঠুনকে। এ নিয়ে মিঠুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিল তৃণমূল। হাইকোর্টে আবেদনপত্রে মিঠুন জানিয়েছেন, এই সংলাপ বলার নেপথ্যে অন্য কোনও খারাপ উদ্দেশ্য ছিল না।

বাংলায় একুশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে উস্কানিমূলক মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছে মিঠুনের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগে সুপারস্টারের বিরুদ্ধে মানিকতলা থানায় FIR দায়ের করা হয়েছিল। সেই মামলার শুনানিতে পুলিশের থেকে রিপোর্ট তলব করে শিয়ালদা এসিজেএম আদালত। মিঠুনের বিরুদ্ধে তদন্ত কতদূর অগ্রগতি হয়েছে, এ নিয়ে আদালত জানতে চায়।

এবার কি ‘বিজেমূল’ তত্ত্ব খারিজের পথে CPIM ?

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ব্রিগেড মঞ্চে পদ্ম পতাকা হাতে তোলেন মিঠুন চক্রবর্তী। তারপর থেকেই জল্পনা ছড়ায় যে, বাংলায় BJP-র মুখ হতে পারেন মিঠুন। এই জল্পনার আবহে কাশীপুর-বেলগাছিয়া কেন্দ্রে বোনের বাড়ির ঠিকানায় ভোটার হিসেবে নাম তোলেন মিঠুন। যার জেরে জল্পনা আরও জল-হাওয়া পায়। কিন্তু, BJP-র প্রার্থী তালিকায় মিঠুনের নাম না থাকায়, সেই জল্পনায় ইতি পড়ে। BJP-তে যোগদানের পর থেকেই একের পর এক রোড শো-তে ঝড় তুলেছেন মিঠুন। তাঁর মুখে শোনা গিয়েছিল, ‘আমি জলঢোড়াও নই, বেলেবড়াও নই, আমি জাত গোখরো, এক ছোবলেই ছবি’ রোড শোয়ে ফিল্মি সংলাপ বলতে দেখা যায় মিঠুনকে। ওই সংলাপ নিয়েই আপত্তি ওঠে।

ট্রেনের পর এবার খেলার মাঠ ও স্টেডিয়ামগুলিও বিক্রির সিদ্ধান্ত রেলের

সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তীর বক্তব্য, ‘তিনি আসলে তাঁর ভক্তদের অনুরোধেই কেবল বিনোদনের উদ্দেশে এই মন্তব্য করেছিলেন। এর পিছনে কোনও রাজনৈতিক চরিতার্থতা নেই। কিংবা হিংসাও নেই। কিন্তু কেবল একটি ডায়লগ নিয়ে এমন রাজনৈতিক দড়ি টানাটানি হবে, তা আঁচ করতে পারেননি মহাগুরু।’ এমনটাই জানিয়েছেন মিঠুন চক্রবর্তী।

Copyright © 2025 NEWS24-BENGALI.COM | All Rights Reserved.

google-news