সমস্যাটি গুরুতর হওয়ার আগেই ফ্যাটি লিভারের লক্ষণগুলো বুঝুন

2 Min Read
সমস্যাটি গুরুতর হওয়ার আগেই ফ্যাটি লিভারের লক্ষণগুলো বুঝুন
Stay connected via Google News
Follow us for the latest updates.
Add as preferred source on google

লিভার ক্যান্সার শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে, ফলে রক্তে বিষাক্ত পদার্থ জমা হতে থাকে।

লিভারের কোষগুলো অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়।

লিভার আমাদের শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। এটি রক্ত পরিশোধন, প্রয়োজনীয় প্রোটিন তৈরি, শক্তি সঞ্চয় এবং বিষাক্ত পদার্থ অপসারণের মতো অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। এছাড়াও, লিভার পিত্তরস তৈরি করে, যা হজমে সাহায্য করে। তবে, যখন লিভারের কোষগুলো অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে শুরু করে, তখন এই অবস্থা লিভার ক্যান্সারের কারণ হতে পারে, যা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুতর হতে পারে।

লিভার ক্যান্সার কত প্রকার?

লিভার ক্যান্সার প্রধানত দুই প্রকার। প্রথমটি হলো হেপাটোসেলুলার কার্সিনোমা, যা সবচেয়ে সাধারণ এবং এটি সরাসরি লিভারের কোষ থেকে শুরু হয়। দ্বিতীয়টি হলো কোলাঞ্জিওকার্সিনোমা, যা পিত্তনালীতে বিকশিত হয়। লিভার ক্যান্সারকে বিপজ্জনক বলে মনে করা হয় কারণ এর প্রাথমিক লক্ষণগুলো প্রায়শই হালকা হয় বা উপেক্ষা করা হয়। যখন রোগটি ধরা পড়ে, তখন এটি প্রায়শই বেশ উন্নত পর্যায়ে পৌঁছে যায়। লিভারের কার্যকারিতা হ্রাস অন্যান্য অঙ্গকে প্রভাবিত করে এবং ধীরে ধীরে শরীরকে দুর্বল করে দেয়।

আরও পড়ুন : বাদামের ভেতরের লাল খোসা সহ খাওয়া কি ঠিক না ভুল? বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে জেনে নিন।

বিশেষজ্ঞরা কি বলছেন?

দিলশাদ গার্ডেনের একটি স্বনামধন্য বেসরকারি ক্লিনিকের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ডঃ আশীষ সচান ব্যাখ্যা করেন যে, লিভার ক্যান্সারের লক্ষণগুলো ধীরে ধীরে প্রকাশ পায় এবং প্রাথমিকভাবে মানুষ এগুলোকে সাধারণ দুর্বলতা বা পেটের সমস্যা ভেবে উপেক্ষা করে। তার মতে, ক্রমাগত ক্লান্তি, ক্ষুধামন্দা, ওজন হ্রাস এবং পেটের ডান পাশে ব্যথা বা ভারিভাব—এই লক্ষণগুলোকে হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়।

Disclaimer: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ তথ্যের উদ্দেশ্যে, কোন পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়।

 

Stay connected via Google News
Follow us for the latest updates.
Add as preferred source on google
Share This Article